মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

এক নজরে

        দেশের দুঃস্থ, অবহেলিত, পশ্চাৎপদ, দরিদ্র, এতিম, প্রতিবন্ধী এবং অনগ্রসর মানুষের কল্যাণ ও উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত সমাজসেবা অধিদফতরের রয়েছে ব্যাপক ও বহুমুখী কর্মসূচি। সমাজসেবা  অধিদফতর সাংবিধানিক অঙ্গীকার, দেশের প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য, জাতীয় দারিদ্রহ্রাসকরণ কৌশলপত্র এবং সরকার অনুসৃত নীতি অনুসরণ পূর্বক মানব সম্পদ উন্নয়ন, দারিদ্র্য হ্রাসকরণ, সামাজিক নিরাপত্তা এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, সেবা ও কল্যাণমূলক কার্যক্রমসহ বহুমাত্রিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

          সমাজসেবা অধিদফতরের কার্যক্রম বর্তমান সরকারের সময় হয়েছে প্রাণত্ম, পেয়েছে নতুন গতি এবং প্রাণের সঞ্চার। এক নজরে চুয়াডাঙ্গা জেলায় সমাজসেবা অধিদফতরের ভিশন ও মিশনঃ

 

ক. দারিদ্র হ্রাসকরণ কর্মসূচিঃ

১. পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রম

বিনিয়োগকৃত মোট সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণের পরিমাণ  ৩,৪৯,০৮,৮৫৭/- টাকা এবং উপকারভোগীর সংখ্যা ৯,২৭৮ জন।

২. শহর সমাজসেবা কার্যক্রম

বিনিয়োগকৃত মোট সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণের পরিমাণ  ৩৯,৪০,০০০/- টাকা এবং উপকারভোগীর সংখ্যা ৬০৭ জন।

৩. পল্লী মাতৃকেন্দ্র কার্যক্রম

বিনিয়োগকৃত মোট সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণের পরিমাণ ৩৭,৪৮,১৯১/-  টাকা এবং উপকারভোগীর সংখ্যা ৮১৪ জন।

৪. দগ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের পুনর্বাসন কার্যক্রম

বিনিয়োগকৃত মোট  ক্ষুদ্রঋণের পরিমাণ ৭৭,২২,০৮৫/- টাকা এবং উপকারভোগীর সংখ্যা ৮১৮ জন।

 

খ. সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিঃ

১.বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম- মোট ভাতাভোগীর সংখ্যা ৩৫,৩২৮ জন এবং মাথাপিছু মাসিক ভাতার হার ৫০০/-টাকা।

২. বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতা কার্যক্রম- মোট ভাতাভোগীর সংখ্যা ১৪,২৬৮ জন এবং মাথাপিছু মাসিক ভাতার হার ৫০০/-টাকা।

. অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা কার্যক্রম- মোট ভাতাভোগীর সংখ্যা ২২,৮৪৯ জন এবং মাথাপিছু মাসিক ভাতার হার ৭৫০/-টাকা।

৪.প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচি- মোট ভাতাভোগীর সংখ্যা ৩৯২ জন এবং মাথাপিছু মাসিক ভাতার হার প্রাথমিক স্তর ৫০০/-, মাধ্যমিক স্তর ৬০০/-, উচ্চ মাধ্যমিক স্তর ৭০০/- এবং উচ্চতর স্তর ১,২০০/-টাকা।

৫. বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর বিশেষ/বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম- মোট ভাতাভোগীর সংখ্যা ২৯২ জন এবং মাথাপিছু মাসিক ভাতার হার ৫০০/-টাকা।

. বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচিঃ মোট ভাতাভোগীর সংখ্যা ২৩৮ জন এবং মাথাপিছু মাসিক ভাতার হার প্রাথমিক স্তর ৩০০/-, মাধ্যমিক স্তর ৪৫০/-, উচ্চ মাধ্যমিক স্তর ৬০০/- এবং উচ্চতর স্তর ১,০০০/-টাকা।

৭. হিজড়া জনগোষ্ঠীর বিশেষ/বয়স্ক ভাতা কার্যক্রমঃ মোট ভাতাভোগীর সংখ্যা ১১ জন এবং মাথাপিছু মাসিক ভাতার হার ৬০০/-টাকা।

৮. হিজড়া জনগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি কর্মসূচিঃ মোট ভাতাভোগীর সংখ্যা ০৬ জন এবং মাথাপিছু মাসিক ভাতার হার প্রাথমিক স্তর ৩০০/-, মাধ্যমিক স্তর ৪৫০/-, উচ্চ মাধ্যমিক স্তর ৬০০/- এবং উচ্চতর স্তর ১,০০০/-টাকা।

৯. মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা কার্যক্রমঃ মোট ভাতাভোগীর সংখ্যা ১,৫৫৯ জন এবং মাথাপিছু মাসিক ভাতার হার ২০,০০০/-টাকা।

 

গ. সামাজিক সংহতি ও উন্নয়ন কার্যক্রমঃ

১. সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা), চুয়াডাঙ্গাঃ একশ জন এতিম মেয়ে লেখাপড়াসহ  লালিত পালিত হচ্ছে।

২. ক্যাপিটেশন গ্রান্ট (নিবন্ধনকৃত বেসরকারি এতিমখানা)ঃ মোট ৩০ টি নিবন্ধিত বেসরকারি এতিমখানার সর্বমোট ৩৫৮ জন এতিমকে মাথাপিছু মাসিক ২,০০০/- ক্যাপিটেশন গ্রান্ট প্রদান করা হয়।

 

ঘ. সামাজিক অবক্ষয় প্রতিরোধ কার্যক্রমঃ

১. প্রবেশন ও আফটার কেয়ার সার্ভিসেসঃ এই কর্মসূচির মাধ্যমে আইনের সংস্পর্শে আসা ও আইনের সংঘাতে জড়িত শিশুদের বিকল্প পন্থায় মুক্তির ব্যবস্থা করা হয় এবং প্রথমবারের মতো লঘু দন্ডে দন্ডিতদের সাজা মওকুফের ব্যবন্থা করা হয় ও কারাগারে কয়েদীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়।

 

ঙ. প্রতিবন্ধী বিষয়ক কার্যক্রমঃ

১.সমন্বিত অন্ধ শিক্ষা কার্যক্রমঃ দশ জন অন্ধ শিশু লেখাপড়াসহ লালিত পালিত হচ্ছে।

২.প্রতিবন্ধীতা শনাক্তকরণ জরিপ কর্মসূচিঃ জরিপের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী শনাক্ত করে ডাটা এন্ট্রি করে সুবর্ণ নাগরিক হিসাবে পরিচয়পত্র প্রদান করা হয়েছে।অনেকের মাঝে সহায়ক উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। জরিপকৃত মোট প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সংখ্যা ৩০,৩২৮ জন।

 

চ. কমিউনিটি ক্ষমতায়ন কার্যক্রম (স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা নিবন্ধন)

১. স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান নিবন্ধনকরণ- সর্বমোট ৫০২ টি প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধন করা হয়েছে। প্রতিবছর কিছু প্রতিষ্ঠানকে অনুদান প্রদান করা হয়।

 

ছ. প্রশিক্ষণ কার্যক্রমঃ

১. শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

২. বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে তাদেরকে বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

 

জ. কল্যাণ ও সেবামূলক কার্যক্রমঃ

১. হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম- সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রোগী কল্যাণ সমিতির মাধ্যমে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের বিনামূল্যে ঔষধ ও অন্যান্য চিকিৎসা সামগ্রী প্রদান করা হয়।

২. ক্যান্সার, কিডনী, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও জন্মগত হৃদরোগীদের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি- কর্মসূচিটির মাধ্যমে ক্যান্সার, কিডনী, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও জন্মগত হৃদরোগীদের ৫০,০০০/- টাকা করে অনুদান প্রদান করা হয়। ২০২০-২১ অর্থ বছরে ৮৮ লক্ষ টাকা ১৭৬ জন অসহায় দুস্থ রোগীর মাঝে বিতরণ করা হয়।

৩. জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের মাধ্যমে গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া, গরীব রোগীদের চিকিৎসা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের এককালীন আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

৪. নিউরো ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী ব্যক্তির মাঝে চিকিৎসা সহায়তা বাবদ অনুদান প্রদান করা হয়। 

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter